সংবাদ/বিবৃতি

The superiority of Muslims remain in” establishing truth and resisting against injustice”. It is a holy duty for a Muslim to do this work with his/her level best . Especially, students are perfect soldiers for this work. That is why, students are active and effective manpower of a country and a nation.

Sheikh-Saiful

নবুওয়তী কর্মধারার আলোকে ইসলামী বিপ্লবের রূপরেখা : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম

(পূর্ব প্রকাশের পর)

অপপ্রচার ও তার জবাব
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো যখন দুই জোটে বিভক্ত তখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একাকি পথচলা অবশ্যই চ্যালেঞ্জের বিষয়। এই একাকি পথচলার কারণে ইসলামী আন্দোলনকে উভয় জোটের বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়। বিশেষ করে ২০ দলীয় জোটভূক্ত ইসলামী দলগুলো ইসলামী আন্দোলনকে সব সময় ‘আওয়ামী ঘেঁষা’ বলে অপপ্রচার চলায়। তাদের যুক্তি হলো, বাংলাদেশের রাজনীতি দুই মেরুতে বিভক্ত। একটা হলো ডান মেরু আরেকটা হলো বাম মেরু। ডান মেরুতে বিএনপিসহ ২০ দলের অবস্থান। আর বাম মেরুতে আওয়ামীলীগসহ বামপন্থীদের অবস্থান। এখন হয়তো আপনাকে ডানে চলতে হবে। (অর্থাৎ বিএনপিকে সমর্থন করেতে হবে) আর নয়তো বামে চলতে হবে। (অর্থাৎ আওয়ামীপন্থী হতে হবে) আপনি ডানেও নয় বামেও নয় তাহলে আপনি কোন পথের অনুসারী? এর উত্তর হলো, আমরা সিরাতে মুস্তাকিমের (সঠিক পথের) অনুসারী। কারণ, উসূলে ফিকহের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘নুরুল আনওয়ার’ কিতাবের সংজ্ঞা অনুযায়ী যে পথের পথিক ডানে-বামে যাওয়া ছাড়াই গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে তাকে ‘সিরাতে মুস্তাকিম’ বলা হয়। অতএব বুঝা গেল, যা ডানেও নয় বামেও নয় তাই সঠিক পথ। এজন্যই আমাদের মুহতারাম আমীর শ্লোগান তুলেছেন, ‘নো ইস্ট নো ওয়েস্ট ইসলাম ইজ দ্যা বেস্ট’ অন্য কথায়, ‘নো আওয়ামী লীগ নো বিএনপি ইসলাম ইজ দ্যা বেষ্ট’। আমরা ডানেও নয় বামেও নয় বরং সরল সঠিক পথে আছি। আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষেও নয় বিএনপির পক্ষেও নয় বরং ইসলামের পক্ষে আছি।

আবার সংশয়বাদীরা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ ও বিএনপিবিরোধী অবস্থানকে আকাবিরের অনুসৃত নীতির খেলাফ বলে থাকে। তাদের মতে ‘পূর্বসূরী আলিমগণ এক শত্রæর মোকাবেলার জন্য অন্য শত্রুর সাথে জোট করেছেন। তারা কখনো একাধিক শত্রæর সাথে লড়াই করেননি। কিন্তু আমরা দেখি ইতিহাস সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে। এই উম্মতের সবচে’ সম্মানিত ব্যক্তি হলেন হযরত আবু বকর (রা.)। রাসূল সা. এর ইন্তেকালের পর তিনি এক সংকটময় মূহুর্তে খলিফা নির্বাচিত হন। তখন তাঁকে চার ধরণের শত্রæর মোকাবিলা করতে হয়। ১. সিরিয়া সীমান্তে উসামা রা. এর নেতৃত্বে খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে লড়াই। ২. যাকাত অস্বীকারকারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ। ৩. মিথ্যা নবী দাবীদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। ৪. মুনাফিক ও মুশরিকদের ষঢ়যন্ত্র প্রতিহত করা। আবু বকর রা. একই সময়ে এই চার শত্রুর মোকবেলা করেছেন কিন্তু কারো সাথে আপোষ করেননি।

নিকট অতীতে ভারত উপমহাদেশে হযরত সাইয়্যেদ আহমদ শহীদ রহ. ছিলেন আমাদের বড় আকাবির। তিনি একাধারে শিখ. পাঠান, ইংরেজ এই শক্তির মোকাবিলা করেছেন কিন্তু কারো সাথেই আপোষ করেননি। মূলত; আপোষহীন সংগ্রামী চেতনাই ছিল আমাদের সম্মানিত আকাবিরদের বৈশিষ্ট্য।

বিপ্লবের কর্মসূচি অনুসরণ
হযরত পীর সাহেব চরমোনাই রহ. তাঁর মিশনকে রাসূল সা: কর্মসূচির আলোকে চারটি মৌলিক কর্মসূচির সমš^য়ে পরিচালনা করেছেন।

এক. তালিম-তারবিয়াত
সমাজবিপ্লবের জন্য চাই চেতনার বিপ্লব। আর কোরআনের শিক্ষা ছাড়া চেতনার বিল্পব সম্ভব নয়। এজন্য হযরত পীর সাহেব চরমোনাই রহ. কোরআনের শিক্ষা সবখানে ছড়িয়ে দিতে বহুমূখী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। শিশুদের কোরআন শিক্ষা দেয়ার জন্য ৬৮ হাজার গ্রামে ৬৮ হাজার কেরাতুল কোরআন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে গঠন করেছেন ‘বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষাবোর্ড’। উপমহাদেশের বিখ্যাত ইসলামী বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের শিক্ষা কারিকুলামের আলোকে প্রতিষ্ঠা করেছেন অসংখ্য কাওমী মাদ্রাসা। পাশাপাশি বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির মাধ্যমে অভিনব পদ্ধতিতে বয়স্কদেরকে প্রয়োজনীয় দীনি ইলম শিক্ষা দেওয়া হয়।

দুই. তাযকিয়া
ইসলামী বিপ্লবের জন্য শুধু চিন্তার বিপ্লবই যথেষ্ট নয়। সাথে চাই চারিত্রিক পরিশুদ্ধতা। মূলত; পরিশুদ্ধ ব্যক্তি না হলে পরিশুদ্ধ সমাজগঠন করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। এজন্যই রাসূল সা. সাহাবায়ে কেরাম রা. এর চিন্তার বিপ্লবের সাথে সাথে চারিত্রিক বিপ্লবের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

অতএব ইসলামী বিপ্লবের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনে অবশ্যই আত্মশুদ্ধির কার্মসূচি থাকতে হবে। হযরত পীর সাহেব চরমোনাই রহ. নবুওয়াতি কর্মধারা অনুসরণে তালিমের সাথে তাযকিয়াকে মৌলিক কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির মাধ্যমে চিশতীয়া সাবেরিয়া তরীকার সর্ববৃহৎ ধারার নেতৃত্ব দিয়েছেন।

৩. তাবলিগ
চরমোনাই তরীকায় রাসূল সা. এর তৃতীয় কর্মসূচি তাবলিগের কাজও ব্যাপকভাবে আঞ্জাম দেওয়া হচ্ছে। এই তরীকার দাওয়াতের বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে পূর্ণাঙ্গ দীনের দাওয়াত দেওয়া হয়। শুধু দীনের প্রসারই নয়; বরং দীন প্রতিষ্ঠার দাওয়াত দেয়া হয়। শুধু কোন বিশেষ শ্রেণীকে নয় বরং সকল পেশা ও শ্রেণির মানুষকে দাওয়াত দেওয়া হয়। প্রতিদিন আন্দোলন ও তরীকার লক্ষ লক্ষ কর্মী দাওয়াতি কাজ করেন। মুহতারাম আমীর ও নায়েবে আমীর প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে দাওয়াত দেন। প্রতিবছর চরমোনাইর অগ্রহায়ণ ও ফাল্গুনের মাহফিলের মাধ্যমে লক্ষ-লক্ষ মানুষের কাছে পূর্ণাঙ্গ দীন অনুসরণ ও দীন প্রতিষ্ঠার দাওয়াত পৌঁছে। এ তরীকার জনশক্তি গাণিতিক হারে নয় বরং জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৪. জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ
রাসূল সা. এর চতুর্থ কর্মসূচি ছিল জিহাদ। হযরত পীর সাহেব চরমোনাই রহ. আল্লাহর জমীনে তাঁর দীন প্রতিষ্ঠার জন্য আমৃত্যু জিহাদের ময়দানে সক্রিয় ছিলেন। তিনি শুধু খানকার একজন পীরই ছিলেন না; বরং ময়দানের বীরও ছিলেন। তিনি তার অনুসারীদেরকে জিহাদে আসগর ও জিহাদে আকবর উভয়ের দীক্ষা দিতেন। মূলত; এ উপমহাদেশে হযরত সাইয়্যেদ আহমদ শহীদ রহ. এর কার্যধারায় রূহানিয়াত ও জিহাদের যে সুসমš^য় ঘটেছিল আমরা তা হযরত পীর সাহেব চরমোনাই রহ. এর মাঝেও দেখতে পাই। বাংলাদেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার জন্য পীর সাহেব চরমোনাই রহ. ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের মাধ্যমে আমৃত্যু চেষ্টা করেছেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন (পরিবর্তিত নাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অধ্যাবধি ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এ সংগঠনের মাধ্যমে ইসলামী হুকুমতপ্রত্যাশীদের মাঝে আশা জাগানিয়া স্বপ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

বিপ্লবের ধারা অনুসরণ
নবুওয়াতি কর্মধারা অনুসরণে এখানে ব্যক্তিগঠনের সাথে সাথে সমাজগঠনের কাজও চলছে। এ কাজ আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে রূহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে। রূহানিয়াতের মাধ্যমে ব্যক্তির সংশোধন এবং জিহাদের মাধ্যমে সমাজ সংশোধন হয়। এই সংগঠন ও তরীকার বৈশিষ্ট্য যে, এখানে রূহানিয়াত ও জিহাদ একটিকে অন্যটির পরিপূরকরূপে গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগঠন ও সমাজগঠনের কাজ সমান্তরাল গতিতে এগিয়ে চলছে। কারণ ব্যক্তিগঠন না করে অথবা ব্যক্তিজীবনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা না করে সমাজে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ যেমন গ্রহণযোগ্য নয় তেমনি সমাজে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ না নিয়ে শুধু ব্যক্তিগঠনের মাঝে নিজেদের কর্মকান্ড সীমাবদ্ধ রাখলে তা যথেষ্ঠ হবেনা। এজন্য হযরত পীর সাহেব চরমোনাই রহ. তাঁর কর্মধারায় উভয়ের সমš^য় ঘটিয়েছেন।

বিপ্লবের পথ ও পদ্ধতি অনুসরণ
রাসূল সা. এর বিপ্লব ছিল গণবিপ্লব। আমরাও এদেশে গণবিপ্লবের মাধ্যমে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

গণবিপ্লবের সংজ্ঞা
গণমানুষের অংশগ্রহণে যে বিপ্লব সংগঠিত হয় তাকে গণবিপ্লব বলা হয়।
গণবিপ্লবের ধাপ
গণবিপ্লবের ধাপ ৫টি। যথা-
গণদাওয়াত, গণচেতনা, গণসংগঠন, গণদাবি ও গণঅভ্যূত্থান।

গণদাওয়াত
আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হলো, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট আদর্শের দাওয়াত পৌঁছানো। আদর্শের সুফল, কল্যাণকামিতা, উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আদর্শের পক্ষে জনমত গড়ে তোলা।
আমাদের দাওয়াত হবে পূর্ণাঙ্গ দীনের দাওয়াত। কারণ এদেশের শতকরা নব্বইভাগ মানুষ মুসলমান হলেও অধিকাংশ মুসলমান দীন সম্পর্কে খণ্ডিত ধারণা পোষণ করে। ফলে এদেশে ইসলামকে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। অতএব, বিপ্লবী সংগঠনের কর্মীদের প্রধানতম কর্তব্য হলো পূর্ণাঙ্গ দীনের প্রতি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে আহŸান জানানো।

গণচেতনা
দাওয়াতের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আদর্শিক চেতনা তৈরী হয়। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের নিকট যখন ইসলামের পূর্ণাঙ্গতা ও কল্যাণকামিতা তুলে ধরা হবে তখন মানুষের মাঝে দীন প্রতিষ্ঠার চেতনা তৈরী হবে। সমাজের অধিকারহারা, বঞ্চিত মানুষগুলো যখন বুঝতে পারবে যে, ইসলাম ছাড়া তাদের ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তি সম্ভব না তখন তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘবদ্ধ হবে।

গণসংগঠন
এ পর্যায়ে বিপ্লবী সংগঠন গণসংগঠনে পরিণত হবে। ইসলামী বিপ্লব কোন শ্রেণি বিশেষের বিপ্লব নয়। এটি সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে হবে। অতএব, এখানে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য সর্বস্তরে গণসংগঠন গড়ে তোলার বিকল্প নেই। একদিকে মূল সংগঠনকেই গণমানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে মূলসংগঠনের সাপোর্টে সেক্টরভিত্তিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও পেশাজীবি সংগঠন গড়ে তুলতে হবে।

গণদাবি
সংগঠন যখন গণসংগঠন পরিণত হবে এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবি যখন গণদাবীতে পরিণত হবে তখনই গণবিপ্লবের প্রেক্ষাপট তৈরী হবে।
গণঅভ্যূত্থান
ইসলাম প্রতিষ্ঠার দাবি যখন গণদাবিতে পরিণত হবে এবং দাবি আদায়ে মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে তখনই গণঅভ্যূত্থান সৃষ্টি হবে।

গণবিপ্লবের মৌলিক উপাদান
গণবিপ্লবের মৌলিক উপাদান ৩টি। যথা- গতিশীল সংগঠন, যোগ্য নেতৃত্ব ও ত্যাগী কর্মীবাহিনী।

গণবিপ্লবের যৌক্তিকতা
গণবিপ্লব যেহেতু গণমানুষের অংশগ্রহণে হয়, একারণে গণবিপ্লবের মাধ্যমে গণভিত্তি অর্জিত হয়। আর বিপ্লবের জন্য গণভিত্তি অর্জন তথা জনমত গঠন পূর্বশর্ত। কুরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয় আল্লাহ কোন জাতির ভাগ্যের পরিবর্তন করে না যতক্ষণ না তারা নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তরে জন্য চেষ্টা চালায়।” (সূরা রা’দ : ১১)
এই আয়াত দ্বারা বুঝা যায় যে, পরিবর্তনের জন্য জাতির উদ্যোগ ও প্রচেষ্ট প্রয়োজন। মক্কায় রাসূল সা. প্রাণান্তকর মেহনত সত্বেও ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এর কারণ হল, মক্কায় ইসলামের অনুকূলে পর্যাপ্ত জনমত তৈরী হয়নি। মদিনায় ইসলামের পক্ষে জনমত তৈরি হওয়ায় আল্লাহ তায়ালা সেখানে ইসলামকে বিজয় দান করেন।

বাংলাদেশ গণবিপ্লবের উর্বর ভূমি
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে গণবিপ্লবের গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। বৃটিশ খেদাও আন্দোলন, পাকিস্তান আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, স্বাধীনতা আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনই গণবিপ্লবের মাধ্যমে সংগঠিত ও সম্পন্ন হয়েছে। ৭১ এর স্বাধীনতা আন্দোলন এদেশের গণমানুষের অংশগ্রহণে গণআন্দোলনের মাধ্যমে সূচিত হয়ে সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে শেষ হয়েছে।

লেখক-
কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন

  • লেখাটি ইশা ছাত্র আন্দোলন-এর দ্বিমাসিক মুখপাত্র ‘ছাত্র সমাচার’ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি’১৫ সংখ্যায় প্রকাশিত।

লেখাটির পিডিএফ ভার্স ন ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

সম্পর্কিত কার্যক্রম

সম্পর্কিত কার্যক্রম

সদস্য ফরম

নিচে তথ্যগুলো দিয়ে পাঠিয়ে দিন